বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
[gtranslate]
বুধবার, ৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বউকে নির্দোষ দাবি করে নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলেন সোহেল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ২:২৪ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
বউকে নির্দোষ দাবি করে নিজের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চাইলেন সোহেল

রাজধানীর পল্লবীতে রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি শেষ হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে এ সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্কের জন্য তারিখ ধার্য করেন আদালত। আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিন সকালে সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার এবং স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ঢাকার আদালতে আনা হয়। তাদের মহানগর হাজতখানায় রাখা হয়।

পরে ১০টা ৪৭ মিনিটে সোহেল রানাকে ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ১০টা ৫৭ মিনিটে হাজতখানা থেকে আদালতে তোলা হয়। সকাল ১১টা ১০ মিনিটে কোর্ট বসে। পরে বিচারক প্রধান আসামি সোহেল রানাকে এ মামলার সকল সাক্ষীদের জবানবন্দি পড়ে শোনান। আদালত সোহেল রানার কাছে জানতে চান, আপনার কিছু বলার আছে কি না।

‘আমি নির্দোষ স্যার। আমার সঙ্গে যে ছিল ডলার, তাকে আপনারা ধরেন। আমি দোষ করি নাই তা-না, আমিও দোষ করেছি। আমারে মাফ করে দিয়েন, আমার একটা ছোট ছাওয়াল আছে, আমার বউটা একদম নির্দোষ।

এরপর স্বপ্নার বক্তব্য শুনতে চান আদালত। প্রথমে নিশ্চুপ থাকলে আদালত তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দরজা কেন খুলেননি এর কোনো ব্যাখ্যা দিতে চান কি না। এ সময় তাকে সতর্ক করে আদালত বলেন, আপনার স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে যে শাস্তি তার হবে একই শাস্তি আপনারও হবে। এরপর স্বপ্না আবারও বলেন, আমি কিছু করিনি স্যার আমি নির্দোষ।

দুই আসামির বক্তব্য রেকর্ড শেষে এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার ধার্য করেছেন আদালত।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু বৃহস্পতিবার যুক্তিতর্কের জন্য দিন নির্ধারণ করার আবেদন করলে আদালত সেটি মঞ্জুর করেন। পরে ১১টা ২৫ মিনিটে আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানি শেষ হয়। এরপর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি শেষে আদালত থেকে এ আদেশ আসে।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের এ মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু শুনানি করেন। এ সময় ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।

গত ১ জুন পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় বাদী আবদুল হান্নান মোল্লাসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। পরে গতকাল ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল। গত ২৪ মে আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর চার্জশিটটি আমলে গ্রহণ করে বিচারের জন্য ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। একই দিন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১ জুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে গতকাল এ মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি রেকর্ড করে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন আদালত। মামলার বাদী ও ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লার জবানবন্দির মাধ্যমে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

এরপর ভিকটিমের- মা পারভীন আক্তার, বড় বোন রাইসা আক্তার, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, দ্বিতীয় তলার বাসিন্দা শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন ও কনস্টেবল রোমা আক্তার, কনস্টেবল শরীফ মিয়া, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল হোসেন, ময়নাতদন্ত প্রস্তুত করা ডা. নাসাদ জাবিন, আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ, এসআই রাশেদুল ইসলাম ও তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের এসআই অহিদুজ্জামান পর্যায়ক্রমে আদালতে জবানবন্দি দেন।

সাক্ষীদের জেরা করেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ। এরপর আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানির জন্য আজ দিন ধার্য করেছেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এদিকে সকাল পৌনে ৯টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। এ সময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের আগে তাদের এজলাসে নেয়া হয়।

অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৪:১৯ পিএম
অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে: মির্জা ফখরুল

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে। তাই সকলকে সজাগ থাকতে হবে।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের নবগঠিত রুহিয়া উপজেলার রুহিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ঠাকুরগাঁও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং আগামী বছর থেকে ভর্তি কার্যক্রম চালু হবে। পাশাপাশি আগামী দুই বছরের মধ্যে ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে।

তিনি আরও জানান, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ড কর্মসূচির কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং যেসব এলাকার রাস্তাঘাট এখনো উন্নয়নবঞ্চিত রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে পাকা করা হবে।

রুহিয়াবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের এই দিনে প্রয়াত নেতাদের স্মরণ করে তিনি বলেন, অনেক প্রবীণ নেতা আজ আমাদের মাঝে নেই। তারা পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। তাদের অবদান রুহিয়ার মানুষ চিরদিন মনে রাখবে।

তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে এবং নতুন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য তরুণ সমাজকে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে হবে।

এর আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রুহিয়া উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন।

দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম
দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে আগামী বাজেট দেওয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেট ভালো হবে। দেশের খারাপ সময় ও ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও সরকারের পক্ষ থেকে প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করে সবাইকে মাথায় রেখে বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে। সরকারের ওপর প্রচুর ঋণের বোঝা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সবদিক থেকে অর্থনীতির অবস্থা খুবই খারাপ। তারপরও এই পরিস্থিতির মধ্যে তারা দায়িত্ব নিয়েছেন। বাজেটের এই অর্থনীতিতে যাতে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায় এবং অর্থনীতির সুফল যাতে প্রত্যেকটি নাগরিকের কাছে পৌঁছায়, তা বিবেচনায় রাখা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিগত সরকারগুলোর চেয়ে এটি একটি ভালো শুরু হবে এবং এখান থেকে সামনের দিকে ভালোভাবে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে, তবে এজন্য কিছুটা সময় দিতে হবে।
বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দুই বছরে বিনিয়োগ শূন্য থাকা এবং বর্তমান সরকারের তিন মাস পার হওয়ার পর বিনিয়োগ বৃদ্ধির আশ্বাসের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে বিনিয়োগভিত্তিক। অতীতে টাকা ছাপিয়ে এবং ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দেশকে একটি ঋণাত্মক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যার ফলে বর্তমানে ঋণের সুদের পেছনেই বাজেটের একটি বিরাট অংশ চলে যায়।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যে ঋণনির্ভর অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেখান থেকে আগামী দিনে ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় ‘পাবলিক ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্ট’ করার চেষ্টা চলছে। এর মাধ্যমে ক্রমান্বয়ে ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিনিয়োগের ওপর বেশি জোর দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সরকারের পরিচালন ব্যয় ক্রমান্বয়ে কমিয়ে এনে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা হবে।
যে অর্থনীতি বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবে এবং দেশকে ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমির দিকে নিয়ে যাবে, সেই উন্নয়নের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফোর্বসের তালিকায় পাকিস্তানের অভিনেত্রী হানিয়া আমির

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৪:০৮ পিএম
ফোর্বসের তালিকায় পাকিস্তানের অভিনেত্রী হানিয়া আমির

পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমিরের ক্যারিয়ারে যোগ হলো আরও একটি বড় অর্জন। চলতি বছর বিশ্বখ্যাত সাময়িকী ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া ২০২৬’ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন তিনি।

বিশ্বখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস অনূর্ধ্ব ৩০ বছর বয়সি এশিয়ার সেরা প্রভাবশালী তরুণ-তরুণীদের নিয়ে প্রতিবছর ‘ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ এশিয়া’ তালিকা প্রকাশ করে। চলতি বছর এ তালিকায় বিনোদন ও ক্রীড়া বিভাগে ২৮ বছর বয়সী এ অভিনেত্রীর নাম দ্যুতি ছড়াচ্ছে।

২০১৬ সালে ‘জানান’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়জগতে যাত্রা শুরু করেন হানিয়া। এরপর একের পর এক নাটক ও সিনেমায় অভিনয়প্রতিভার মাধ্যমে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। ‘ফির ওহি মোহাব্বতে’ নাটকে অভিনয়ের জন্য অর্জন করেন সেরা টেলিভিশন সেনসেশন নারী বিভাগে হাম অ্যাওয়ার্ডস।

ফোর্বসের তথ্য বলছে, বর্তমানে ইনস্টাগ্রামে সবচেয়ে বেশি অনুসারী থাকা পাকিস্তানি নারী তারকাদের একজন হানিয়া আমির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার অনুসারীর সংখ্যা ২ কোটিরও বেশি। অভিনয়, বিনোদন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার প্রভাব এবং জনপ্রিয়তার স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায়।

এই অর্জন উদ্‌যাপন করতে নিজের স্বাভাবিক ও স্টাইলিশ উপস্থিতিতেই দেখা দেন হানিয়া। লাল রঙের ক্যামিসোল টপ ও জিন্সে ধরা দেন তিনি, যা নজর কাড়ে ভক্তদের।

গত বছরের শেষে জাতিসংঘের ‘ইউএন উইমেন’-এর জাতীয় শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিযুক্ত হন হানিয়া আমির। এবার ফোর্বসের ‘৩০ আন্ডার ৩০’ তালিকায় জায়গা করে নেয়ায় এটি অভিনেত্রীর ক্যারিয়ারে শুধুমাত্র একটি অর্জন বা সম্মান নয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান আরও শক্ত ও বড় সাফল্যের পথে এটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে বলে ধারণা করছেন অনেকে।

বর্তমানে একটি বড় আন্তর্জাতিক প্রজেক্ট নিয়ে ক্যারিয়ারের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন হানিয়া আমির।

জানা গেছে, একটি ঐতিহাসিক পাকিস্তানি অরিজিনাল সিরিজ অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সিরিজটি বিশ্বের অন্যতম বড় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।