বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
[gtranslate]
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঈদযাত্রায় ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১২:৩৫ পিএম ই-পেপার প্রিন্ট ভিউ
ঈদযাত্রায় ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত

এবারের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১৩ দিনে (২১ মে থেকে ২ জুন পর্যন্ত) দেশে ২৯২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৮১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮৩৭ জন। নিহতদের মধ্যে ৩৪ জন নারী ও ৪৮ জন শিশু।

১৪১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১২৪ জন, যা মোট নিহতের ৪৪.১২ শতাংশ। মোট দুর্ঘটনার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৪৮.২৮ শতাংশ। এছাড়া ৩৭ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৩.১৬ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৩৩ জন, অর্থাৎ ১১.৭৪ শতাংশ।

এই সময়ে ১৩টি নৌপথ দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত ও ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ২৪টি কোরবানির গরু মারা গেছে। ২২টি রেলপথ দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন।

৯টি জাতীয় দৈনিক, ১৭টি জাতীয় ও আঞ্চলিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল, ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

যানবাহনভিত্তিক নিহতের চিত্র
দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১২৪ জন (৪৪.১২%), বাসযাত্রী ২১ জন (৭.৪৭%), ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি আরোহী ৩২ জন (১১.৩৮%), প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ১১ জন (৩.৯১%), থ্রি-হুইলার যাত্রী (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ৪৮ জন (১৭.০৮%) এবং স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৮ জন (২.৮৪%) নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনা সংঘটিত সড়কের ধরন
রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৯৭টি (৩৩.২১%) জাতীয় মহাসড়কে, ১১২টি (৩৮.৩৫%) আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি (১৪.৩৮%) গ্রামীণ সড়কে, ৩৭টি (১২.৬৭%) শহরের সড়কে এবং ৪টি (১.৩৬%) অন্যান্য স্থানে ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ধরন
দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ৭৩টি (২৫%) মুখোমুখি সংঘর্ষ, ১২৭টি (৪৩.৪৯%) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৩৮টি (১৩%) পথচারীকে চাপা বা ধাক্কা দিয়ে, ৪২টি (১৪.৩৮%) যানবাহনের পেছনে আঘাত করে এবং ১২টি (৪.১০%) অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহন
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি-লরি-ড্রাম ট্রাক-ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি-গ্যাসবাহী লরি ২২.০৯%, বাস ১৫.৫৮%, মাইক্রোবাস-প্রাইভেটকার-অ্যাম্বুলেন্স-পাজেরো জিপ ৪.৩৩%, মোটরসাইকেল ৩০.৯৬%, থ্রি-হুইলার (ইজিবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান) ১৮.৩৪%, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন (নসিমন-ভটভটি-মাহিন্দ্র) ৩.৫৫%, প্যাডেল রিকশা-বাইসাইকেল ২.৩৬% এবং অজ্ঞাত যানবাহন ২.৭৬%।

দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা
দুর্ঘটনায় সম্পৃক্ত যানবাহনের সংখ্যা ৫০৭টি। এর মধ্যে বাস ৭৯টি, ট্রাক ৬১টি, কাভার্ডভ্যান ১১টি, পিকআপ ২৪টি, ট্রলি ৫টি, লরি ২টি, ড্রাম ট্রাক ৭টি, ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি ১টি, গ্যাসবাহী লরি ১টি, মাইক্রোবাস ৫টি, প্রাইভেটকার ১১টি, অ্যাম্বুলেন্স ৪টি, পাজেরো জিপ ২টি, মোটরসাইকেল ১৫৭টি, থ্রি-হুইলার ৯৩টি, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহন ১৮টি, প্যাডেল রিকশা-বাইসাইকেল ১২টি এবং অজ্ঞাত যানবাহন ১৪টি।

দুর্ঘটনার সময় বিশ্লেষণ
সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে ভোরে ৬.১৬%, সকালে ২৩.৬৩%, দুপুরে ১৭.৮০%, বিকেলে ২১.২৩%, সন্ধ্যায় ১১.৬৪% এবং রাতে ১৯.৫২%।

দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান
দুর্ঘটনার বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে দুর্ঘটনা ৩২.৫৩% এবং প্রাণহানি ৩৫.৯৪%; রাজশাহী বিভাগে দুর্ঘটনা ১৭.৮০% এবং প্রাণহানি ১৮.৫০%; চট্টগ্রাম বিভাগে দুর্ঘটনা ১৩% এবং প্রাণহানি ১২.০৯%; খুলনা বিভাগে দুর্ঘটনা ৯.৯৩% এবং প্রাণহানি ১০.৩২%; বরিশাল বিভাগে দুর্ঘটনা ৮.৯০% এবং প্রাণহানি ৭.১১%; সিলেট বিভাগে দুর্ঘটনা ৩.০৮% এবং প্রাণহানি ২.৪৯%; রংপুর বিভাগে দুর্ঘটনা ১০.৬১% এবং প্রাণহানি ৭.৮২%; ময়মনসিংহ বিভাগে দুর্ঘটনা ৪.১০% এবং প্রাণহানি ৫.৬৯%।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি ঘটেছে। সেখানে ৯৫টি দুর্ঘটনায় ১০১ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, সিলেট বিভাগে সবচেয়ে কম ৯টি দুর্ঘটনায় ৭ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে ফরিদপুরে সবচেয়ে বেশি ১৯টি দুর্ঘটনায় ২৮ জন নিহত হয়েছেন।

ঈদযাত্রা ও দুর্ঘটনা পর্যালোচনা
এবারের ঈদুল আজহায় রাজধানী ঢাকা থেকে ১ কোটির বেশি মানুষ ঘরমুখী যাত্রা করেছেন এবং দেশের অভ্যন্তরে প্রায় ৪ কোটি মানুষ যাতায়াত করেছেন। ঘরমুখী ও ফিরতি ঈদযাত্রায় ট্রেন ছাড়া সড়ক ও নৌপথে ভোগান্তি তুলনামূলক কম ছিল। তবে উত্তরবঙ্গগামী পথে যানজট হয়েছে।

অব্যবস্থাপনার কারণে সড়ক, রেল ও নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হয়েছে, যা সরকার রোধ করতে পারেনি। টিকিট কেটেও কিছু যাত্রী নির্ধারিত ট্রেনে উঠতে পারেননি। ঢাকার সদরঘাটে যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল, তবে কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি।

এবারের ঈদযাত্রায় টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন প্রান্তিক শ্রমজীবী মানুষ নিহত হয়েছেন, যাঁরা ছিলেন তাঁদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এক্সপ্রেসওয়ে ও অন্যান্য মহাসড়কে থেমে থাকা বিকল যানবাহনের পেছনে অন্য যানবাহন ধাক্কা দেওয়ায় ১৩টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে।

২০২৫ সালের ঈদুল আজহার আগে-পরে ১২ দিনে ৩১২ জন নিহত হয়েছিলেন। প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছিলেন ২৬ জন। এবার প্রতিদিন গড়ে নিহত হয়েছেন ২১.৬১ জন। এ হিসাবে গত বছরের তুলনায় প্রাণহানি কমেছে ১৬.৮৮ শতাংশ। তবে প্রাণহানি কমার এ হারকে কোনো উন্নতির সূচক হিসেবে দেখছে না রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। কারণ, পরিবহন খাতে কোনো ব্যবস্থাপনাগত উন্নতি ঘটেনি।

কিশোর-যুবকদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালনার কারণে ১১ জন পথচারী নিহত হয়েছেন। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আক্রান্তদের মধ্যে ৫৭ শতাংশের বয়স ১৪ থেকে ২০ বছরের মধ্যে।

ঈদ উদযাপনকালে মাত্র চার-পাঁচ দিনে বিপুলসংখ্যক মানুষকে পরিবহন করার মতো মানসম্পন্ন ও নিরাপদ গণপরিবহন দেশে নেই। ফলে মানুষ অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ যানবাহনে যাত্রা করে দুর্ঘটনার শিকার হন।

নিরাপদ ও স্বাভাবিক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কমপক্ষে তিন বছর মেয়াদি একটি টেকসই ও সমন্বিত পরিবহন পরিকল্পনা গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় রেলপথ সংস্কার ও সম্প্রসারণ করে ট্রেনের সংখ্যা বাড়াতে হবে, যাতে সড়কপথের যাত্রীদের ট্রেনমুখী করা যায়। একই সঙ্গে নৌপরিবহনকে উন্নত ও জনবান্ধব করতে হবে।

বিআরটিসির রুট বিস্তৃত করে বাসের সংখ্যা বাড়াতে হবে। পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের বাসগুলো বিশেষ ব্যবস্থাপনায় ঈদযাত্রায় ব্যবহার করা হলে মানসম্পন্ন গণপরিবহনের ঘাটতি অনেকাংশে পূরণ করা সম্ভব হবে এবং সড়ক দুর্ঘটনাও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

ঈদযাত্রায় মহাসড়কের টোলপ্লাজার কারণে যানজট তৈরি হয়। এ কারণে শুধু ঈদযাত্রার সময় টোলপ্লাজা উন্মুক্ত করে দিলে যানজট অনেকাংশে কমানো সম্ভব। এছাড়া পোশাকশ্রমিকদের পর্যায়ক্রমে ছুটি নিশ্চিত করা এবং অঞ্চলভিত্তিক যানবাহনের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে ঈদযাত্রা আরও নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ হবে।

রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৫৫ পিএম
রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলার রায় ৭ জুন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে গত সোমবার (১ জুন) আদালত আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য নিয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন। গতকাল আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামিরা নিজেরদের নির্দোষ দাবি করেন।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ।

এ ঘটনায় ২০ মে ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু হবে: শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:৩১ পিএম
এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু হবে: শিক্ষামন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মিড-ডে মিল কর্মসূচি চালু করা হবে। আর আগামী তিন মাসের মধ্যে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থাও সরকার করবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে মিরপুরের ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, শিশুদের উন্নয়ন ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সুশিক্ষা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে একটি সুস্থ, দক্ষ ও যোগ্য প্রজন্ম গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। শিক্ষার্থীদের ড্রেসবিহীন রাখা হবে না এবং অবকাঠামোহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হবে।

এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেন, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ হবে শিশুদের হাত ধরেই। এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যা হবে আনন্দময়, সৃজনশীল ও মূল্যবোধভিত্তিক।

তিনি আরও বলেন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক, দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যেও শিশুদের প্রস্তুত করতে হবে।

যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১:২৫ পিএম
যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

আবদুল মোনায়েম মুন্না ও নূরুল ইসলাম নয়নের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটির অনুমোদনের কথা জানানো হয়েছে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।

এর আগে, ২০২৪ সালের ৯ জুলাই আবদুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি ও নুরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করে যুবদলের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে রয়েছেন— ১. সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ২. সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল ৩. সহ-সভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়া ৪. সহ-সভাপতি কামাল আনোয়ার আহাম্মদ ৫. সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ ৬. সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম দুলাল ৭. সহ-সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী ৮. সহ-সভাপতি সাইদুর রহমান ৯. সহ-সভাপতি সাব্বির আহমেদ দিপু ১০. সহ-সভাপতি আবদুল জব্বার খান ১১. সহ-সভাপতি খন্দকার এনামুল হক এনাম ১২. সহ-সভাপতি শরীফ উদ্দীন জুয়েল ১৩. সহ-সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ ১৪. সহ-সভাপতি রফিক আহমেদ ডলার ১৫. সহ-সভাপতি সাইদ ইকবাল মাহমুদ টিটু ১৬. সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফিরোজ আবদুল্লাহ ১৭. সহ-সভাপতি মাহমুদুস সালেহীন ১৮. সহ-সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক ১৯. সহ-সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জল ২০. সহ-সভাপতি এইচ এম তসলিম উদ্দিন ২১. সহ-সভাপতি নাজমুল আলম নাজু ২২. সহ-সভাপতি মো. আনোয়ারুল হক ২৩. সহ-সভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ (যুক্তরাষ্ট্র) ২৪. সহ-সভাপতি রহিম উদ্দিন (যুক্তরাজ্য) ২৫. সহ-সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মুন্না ২৬. সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম টিটু ২৭. সহ-সভাপতি ডা. লোহানী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম ২৮. সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল আজিম সুমন ২৯. সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান আকন্দ ৩০. সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে) ৩১. সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন ৩২. ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক ৩৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ৩৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম সোহাগ ৩৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু আতিক আল হাসান মিন্টু ৩৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ নাসির উদ্দিন রুমন ৩৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কফিল উদ্দিন ভূইয়া ৩৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দীন রুবেল ৩৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজহারুল ইসলাম মিলন ৪০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজমল হোসেন পাইলট ৪১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইখতিয়ার রহমান কবির ৪২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন ৪৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল মিরাজ ৪৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিঞা মোহাম্মদ রাসেল ৪৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল করিম সরকার ৪৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক ৪৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ৪৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল মনসুর খান দীপক ৪৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আল আশরাফ মামুন ৫০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব খান ৫১. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জোহা সুমন ৫২. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তারেক উজ জামান তারেক ৫৩. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শোয়াইব খন্দকার ৫৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুর রহমান বাবু ৫৫. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ ৫৬. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুল ওয়াহাব ৫৭. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ হিরো (সৌদি আরব) ৫৮. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম তমাল আহমেদ ৫৯. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম ৬০. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়া (দপ্তরের দায়িত্বে) ৬১. সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন লিমন ৬২. সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুদ খান পারভেজ ৬৩. সহ সাধারণ সম্পাদক এন এম আব্দুল্লাহ উজ্জল ৬৪. সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ ৬৫. সহ সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন মামুন ৬৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মামুন হোসেন ভূইয়া ৬৭. সহ সাধারণ সম্পাদক রাহাদুল আলম খান ৬৮. সহ সাধারণ সম্পাদক রুহুল ইসলাম মনি ৬৯. সহ সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাসান ৭০. সহ সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক পাভেল ৭১. সহ সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মাইনউদ্দিন খোকন ৭২. সহ সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন চয়ন ৭৩. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ ৭৪. সহ সাধারণ সম্পাদক আরিফুল হক আরিফ ৭৫. সহ সাধারণ সম্পাদক প্রকৌ: কামরুল হাসান খান সাইফুল ৭৬. সহ সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ৭৭. সহ সাধারণ সম্পাদক আলমগীর কবির সেলিম ৭৮. সহ সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান ভূইয়া সবুজ ৭৯. সহ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. মেহেদী হাসান জুয়েল ৮০. সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদুল হক ৮১. সহ সাধারণ সম্পাদক সাহাবুদ্দিন মুন্না ৮২. সহ সাধারণ সম্পাদক সামসুল আলম রানা ৮৩. সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল বাসার সিদ্দিকী ৮৪. সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান জুয়েল ৮৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম এ গাফফার ৮৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ ফারুকী হীরা ৮৭. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান সুমন ৮৮. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ৮৯. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলম ৯০. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন সরকার শাওন ৯১. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান শামীম ৯২. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি ৯৩. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান সোহেল ৯৪. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল ইসলাম ৯৫. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার রিয়াজ ৯৬. সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রাশেদুল ইসলাম রিপন ৯৭. প্রচার সম্পাদক আল মেহেদী তালুকদার ৯৮. সহ প্রচার সম্পাদক তারেকুর রহমান ৯৯. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ জালাল খান মনন ১০০. সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল ১০১. তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিনুর রহমান আমিন ১০২. কোষাধ্যক্ষ রোকনুজ্জামান রোকন ১০৩. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মুর্তজা কামাল মোস্তাক ১০৪. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. ইউনুস আলী রবি ১০৫. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ১০৬. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. তানভীর হাসান সোহেল ১০৭. আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. গাজী মোঃ মাসকুরুল আলম সৌরভ ১০৮. কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কৃষিবিদ সানোয়ার আলম ১০৯. সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আশরাফুল আলম ফকির লিঙ্কন ১১০. শ্রম বিষয়ক সম্পাদক পার্থ দেব মন্ডল ১১১. শিল্প বিষয়ক সম্পাদক কারীমুল হাই নাঈম ১১২. যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু ১১৩. ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন জনি ১১৪. সহ ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মেজবাহউদ্দিন মেজু ১১৫. পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম রুমন ১১৬. গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মহিন উদ্দিন রাজু ১১৭. সহ গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল ১১৮. বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বাপ্পী ১১৯. সহ বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম ১২০. ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ১২১. ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান নান্নু ১২২. ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ ১২৩. সহ ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার ১২৪. সহ-গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক খন্দকার মাহবুবুর রহমান মাহী ১২৫. সহ জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক মোঃ বেলাল হোসেন ১২৬. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক কে এস এম মুসাব্বির শাফী ১২৭. তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইমরান আহমেদ প্রিন্স ১২৮. মৎস্য ও পশুপালন বিষয়ক সম্পাদক শাহজাহান রনি ১২৯. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. গালিব হাসান ১৩০. স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম ১৩১. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মাহমুদুল হাসান খান সুমন ১৩২. সহ স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. আল মামুন হাসান খান এমিল ১৩৩. সহ কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহিদ হাসান ১৩৪. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খায়রুজ্জামান লিঙ্কন (সহ-সভাপতি পদমর্যাদা) ১৩৫. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এ আর মামুন খান (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৬. আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) ১৩৭. মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মাহবুবুল আলম আকতার ১৩৮. প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক আরাফাত বিল্লাহ খান ১৩৯. পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক হেদায়েত হোসেন ভূইয়া ১৪০. সহ পাঠাগার বিষয়ক সম্পাদক রাশেদ আল আমিন শুভ ১৪১. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) আমিনুল ইসলাম খান ১৪২. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মাহবুব শিকদার ১৪৩. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) মহসীন বিশ্বাস ১৪৪. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) জহিরুল ইসলাম বিপ্লব ১৪৫. সদস্য (সহ সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু ১৪৬. সদস্য আব্দুল্লাহ আল কাফি শাহেদ ১৪৭. সদস্য নাজিম উদ্দিন মিঠু ১৪৮. সদস্য মাহমুদুল করিম সজল ১৪৯. সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ শাহীন ১৫০. সদস্য মো. এমরান হোসেন শাহীন ১৫১. সদস্য ফখরুল বিন খালেক।